Academy

তালসোনাপুরের তালেব মাস্টার আমি

আজ থেকে আরম্ভ করে চল্লিশ বছর দিবসযামী 

যদিও করছি লেন নয় শিক্ষার দেন

…                …                   …

অনেক বয়স হয়ে গিয়েছে আমার 

পিঠ বেঁকে গিয়েছে আর

চোখেও ভালো দেখি না তেমন

…                …                   …

কলেরায় ছেলেটি মারা গেল 

বিনা পথ্যে বিনা শুশ্রুষায়।

আলাউদ্দিনের চেরাগ কী? এ গল্পটি আমাদের কী শিক্ষা দেয়? (অনুধাবন)

Created: 7 months ago | Updated: 2 months ago
Updated: 2 months ago
Ans :

'আলাউদ্দিনের চেরাগ' একটি রূপকথার গল্প। এ গল্পটি আমাদের আত্মমর্যাদাবোধ, নির্লোভ মানসিকতা ও মহত্ত্বের শিক্ষা দেয়।

'আলাউদ্দিনের চেরাগ'-এর গল্প আরব দেশে প্রচলিত আছে। এ গল্পে একটি বিশেষ চেরাগ বা প্রদীপের উল্লেখ আছে, যা ঘষলেই তা থেকে দৈত্য বেরিয়ে আসে। সেই দৈত্য চেরাগের মালিকের অধীন হয়ে যায় এবং তার সব ইচ্ছা পূরণ করে। সেই চেরাগ বা প্রদীপের মালিক ছিল আলাউদ্দিন। গল্পের দৈত্যও নিশানাথবাবুর সব ইচ্ছা পূরণ করতে চেয়েছে। দৈত্য তাঁকে চিকিৎসার জন্য সোনার মোহর, অনেক সম্পদের মালিক হওয়ার জন্য অতি মূল্যবান পরশপাথর দিতে চেয়েছে। কিন্তু তিনি কিছুই নিতে চাননি। কষ্টের জীবনেও তাঁকে সৎ ও নির্লোভ থাকতে দেখে আমরা তাঁর কাছ থেকে মহত্ত্বের শিক্ষা পাই। সেই সঙ্গে তাঁর নির্লোভ মানসিকতায় অনুপ্রাণিত হই।

7 months ago

আনন্দপাঠ

📘 আনন্দপাঠ – ষষ্ঠ শ্রেণি | NCTB অনুমোদিত (২০২৫)

আপনি কি “আনন্দপাঠ ষষ্ঠ শ্রেণি” বা Class 6 Anondopath PDF (2025) খুঁজছেন?
SATT Academy–তে আপনি পাবেন ২০২৫ সালের NCTB অনুমোদিত আনন্দপাঠ বইয়ের অধ্যায়ভিত্তিক ব্যাখ্যা, প্রশ্ন–উত্তর, লাইভ টেস্ট, ভিডিওসহ শেখা, এবং PDF ডাউনলোড সুবিধা – বেশিরভাগ কনটেন্ট বিনামূল্যে, তবে কিছু প্রিমিয়াম ফিচারে সামান্য ফি থাকতে পারে।


✅ এখানে যা পাবেন:

  • প্রতিটি গল্প ও কবিতার সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা ও সারাংশ
  • গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন–উত্তর, বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতির উপযোগী
  • লাইভ টেস্ট/কুইজ – নিজেকে যাচাই করার সুযোগ
  • ভিডিও ব্যাখ্যা – শ্রবণ ও দর্শনের মাধ্যমে শেখা
  • PDF ও ইমেজ ডাউনলোড – অফলাইনে পড়ার জন্য
  • কমিউনিটি ব্যাখ্যা সংযোজনের সুযোগ – শিক্ষার্থীরা নিজের মতামত দিতে পারে

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 আনন্দপাঠ – ষষ্ঠ শ্রেণি PDF ডাউনলোড (২০২৫) (সরকারি সোর্স – এক ক্লিকে সম্পূর্ণ বই পড়ুন বা সংরক্ষণ করুন)


👨‍👩‍👧‍👦 উপকারভোগীরা:

  • শিক্ষার্থী: গল্প-কবিতা বুঝে পড়া ও অনুশীলন আরও সহজ
  • শিক্ষক: ক্লাসে ব্যবহারযোগ্য অধ্যায়ভিত্তিক রিসোর্স
  • অভিভাবক: সন্তানের জন্য গাইড হিসেবে ব্যবহারযোগ্য
  • টিউটর/কোচিং: সাজানো প্রশ্ন-উত্তর ও ব্যাখ্যা একসাথে

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  1. অধ্যায় নির্বাচন করুন
  2. প্রশ্ন–উত্তর ও ব্যাখ্যা পড়ুন বা ভিডিও দেখুন
  3. প্রয়োজনমতো PDF/ছবি ডাউনলোড করুন
  4. লাইভ টেস্টে অংশ নিয়ে প্রস্তুতি যাচাই করুন
  5. নিজের মতামত বা ব্যাখ্যা যোগ করুন কমিউনিটিতে

✨ কেন SATT Academy?

  • বেশিরভাগ কনটেন্ট একদম ফ্রি, কিছু ফিচারে সামান্য ফি
  • ২০২৫ সালের NCTB বই অনুযায়ী সাজানো অধ্যায়ভিত্তিক কনটেন্ট
  • ইন্টার‍্যাক্টিভ ফিচার: লাইভ টেস্ট, ভিডিও, ব্যাখ্যা, ডাউনলোড
  • কমিউনিটি সম্পাদিত ও শিশু-অনুকূল নির্ভুল তথ্য
  • মোবাইল-ফ্রেন্ডলি ডিজাইন – যেকোনো সময় পড়ার উপযোগী

🔍 সার্চ ফ্রেন্ডলি কীওয়ার্ড:

আনন্দপাঠ ষষ্ঠ শ্রেণি ২০২৫

Anondopath class 6 PDF NCTB 2025

Class 6 Bangla book explanation

আনন্দপাঠ প্রশ্ন উত্তর ষষ্ঠ শ্রেণি

Class 6 Bangla live test SATT Academy

Anondopath 2025 chapter-wise question


🚀 এখনই পড়া শুরু করুন!

SATT Academy–এর সাথে শুরু করুন আনন্দপাঠ শেখার আনন্দময় যাত্রা – ব্যাখ্যা, টেস্ট, ভিডিও ও PDF এক জায়গায়।

📚 SATT Academy – সহজে শেখা, মজায় শেখা, সবার জন্য।

Content added By

Related Question

View More

নিশানাথবাবু নান্দিনা পাইলট হাইস্কুলের শিক্ষক ছিলেন।

"তাতে নিশানাথবাবুর খুব একটা অসুবিধাও হয় না।"-নিশানাথবাবুর বসবাসের পরিবেশ ও ঘরের অবস্থা প্রসঙ্গে একথা বলা হয়েছে।

'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পে নিশানাথবাবু নান্দিনা পাইলট হাইস্কুলের অঙ্কের শিক্ষক। তাঁর কোনো ছেলে-মেয়ে নেই। স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি একা। পুরনো আমলের দু-কামরার একটা পাকা দালানে তিনি থাকেন। কামরা দুটির একটি পুরনো লব্ধর জিনিসপত্র দিয়ে বাড়িওয়ালা ঠেসে রেখেছে। সেগুলোর মধ্যে ভাঙা খাট, ভাঙা চেয়ার, পেতলের তলা নেই কিছু ডেগচি, বাসনকোসন। বাড়িওয়ালা প্রায়ই তাকে বলেন- এইসব জঞ্জাল দূর করে ঘরটা আপনাকে পরিষ্কার করে দেব। শেষ পর্যন্ত তিনি তা করেন না। নিশানাথবাবু একা একা থাকেন বলেন এসব জঞ্জাল তার কাছে খুব একটা অসুবিধা বলে মনে হয় না। এ প্রসঙ্গেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

উদ্দীপকের আলী ও পীরের সঙ্গে 'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পের নিশানাথবাবুর বৈসাদৃশ্য চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও মানসিকতায়।

হিংসা মানুষকে ধ্বংস করে। হিংসা-বিদ্বেষ মনে পুষে রাখলে মানুষ ভালো কাজ করতে পারে না। কাজেই প্রকৃত মানুষ হতে চাইলে হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে সবার সঙ্গে সবার বন্ধুত্বময় সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

উদ্দীপকে আলী এবং পীরের মধ্যে হিংসাত্মক মনোভাবটি প্রকাশ পেয়েছে। তারা একে অন্যের সঙ্গে মোকদ্দমা করে সব হারিয়ে নিজেদের ভুল বুঝতে পারলেও শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেনি। একের সঙ্গে অন্যের হিংসা-বিদ্বেষের পরিণাম তারা ভোগ করেছে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। তারা দূর দেশে ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে মরুভূমির পথ ধরে। একসময় তারা তৃষ্ণায় কাতর হয়ে পড়ে। সঙ্গে থাকা এক বদনা পানি নিয়ে কাড়াকাড়ি করে মাটিতে ফেলে দেয়। সেখান থেকে এক জিন উঠে এসে তাদের পুরষ্কৃত করতে চাইলে তারা একে অন্যের সঙ্গে ঝগড়া শুরু করল। তারা একে অন্যকে হিংসা করে পুরস্কার প্রার্থনা করলে একজনের এক চোখ কানা ও এক পা খোঁড়া এবং অন্যচোখের দুই চোখ কানা ও দুই পা খোঁড়া হয়ে গেল। নিশানাথবাবুর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও মানসিকতা তাদের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ তিনি কাউকে হিংসা করেন না এবং কোনো জিনিসের প্রতি তাঁর কোনো লোভ নেই। দৈত্য তাকে সুবিধা দিতে চাইলেও তিনি নেননি।

"উদ্দীপকের মূলভাব 'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পের মূলভাবের বিপরীত।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষ যত পায় তত চায়। এই অতৃপ্তির কারণে মানুষ একে অন্যকে হিংসা করে। নিজের স্বার্থের জন্য অন্যকে কষ্ট দেয়। আবার অনেকে আছেন যারা অল্পে তুষ্ট থাকেন। অতি সাধারণ জীবনযাপন করে। অন্যের জিনিসের প্রতি লোভ করেন না।

'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পের নান্দিনা পাইলট হাইস্কুলের অঙ্ক শিক্ষক নিশানাথবাবু অতি সাধারণ জীবনযাপনকারী মানুষ। তিনি একা একা থাকার কষ্ট অনুভব করলেও মনে করেন, তার চেয়েও অনেকে কষ্টে আছে। স্ত্রী-সন্তানহীন জীবনের কষ্ট নিয়ে নিশানাথবাবু মন খারাপ করেন না। মনে মনে বলেন- আর অল্প-কটা দিনই তো বাঁচব, একটু না হয় কষ্ট করলাম। শিক্ষক নিশানাথবাবুর এ বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র উদ্দীপকের আলী ও পীর। তারা অন্যের ভালো সহ্য করতে পারে না। একে অন্যকে হিংসা করে। মরুভূমিতে হেঁটে চলার সময় তৃষ্ণাকাতর দুজনে কাড়াকাড়ি করে এক বদনা পানি মাটিতে ফেলে দিয়েছে। অথচ সেই পানি দুজনে ভাগ করে পান করে তৃষ্ণা নিবারণ করতে পারত।

'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পে দৈত্য নিশানাথবাবুকে এক কলসি সোনার মোহর এনে দিতে চাইলেও তিনি তা নিতে চাননি। দৈত্য তাকে পরশপাথর দিতে চাইলেও তিনি তার প্রতি লোভ করেননি। অন্যদিকে উদ্দীপকের আলী ও পীর উভয়ই লোভী এবং হিংসুটে। মোকদ্দমা করে তারা উভয়ই সবকিছু হারিয়েছে। শেষে জিন তাদের উভয়কে পুরস্কার দেওয়ার শর্ত-দিলে পীর নিজের এক চোখ অন্ধ ও এক. পা খোঁড়া করে দেওয়ার কথা বলে যাতে আলীর দুই চোখ অন্ধ এবং দুই পা খোঁড়া হয়ে যায়। তাদের হিংসার এই ভয়াবহ পরিণাম 'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পের মূলভাবের সম্পূর্ণ বিপরীত। এভাবে মন্তব্যটি যথার্থ।

5 পরশপাথরে কী সোনা হয়ে যায়? (জ্ঞানমূলক)

Created: 7 months ago | Updated: 2 months ago
Updated: 2 months ago

পরশপাথরে ধাতুর তৈরি যেকোনো জিনিস সোনা হয়ে যায়।

লোভী মানুষের হাতে পরশপাথর দিতে নেই। একথাটি পরশপাথর দেওয়া প্রসঙ্গে আলাউদ্দিনের চেরাগের দৈত্য শিক্ষক নিশানাথবাবুকে বলেছিল।

'আলাউদ্দিনের চেরাগ' গল্পে শিক্ষক নিশানাথবাবু তাঁর চটির উঁচু হয়ে থাকা পেরেক ঠিক করতে লম্বাটে ধরনের একটি পরিত্যক্ত জিনিস দিয়ে বাড়ি দেন। এতে পুরো ঘর ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে যায় এবং একজন মেঘ গর্জনের মতো আওয়াজে বলে সে আলাউদ্দিনের চেরাগের দৈত্য, তার হুকুমের দাস। সে তার সব কাজ করে দিবে। দৈত্য তাকে চিকিৎসার জন্য কলসি ভর্তি মোহর দিতে চায়, তার জন্য পরশপাথর নিয়ে আসে। পরশপাথর ছুঁইয়ে একটি সোনার বালতি বানিয়ে তাকে দেয়। কিন্তু নির্লোভ শিক্ষক কিছুই নিতে চায় না। তখন দৈত্য তাঁকে বলে, 'আলাউদ্দিনের চেরাগ যে-ই হাতে পায় সে-ই বলে পরশপাথর এনে দেওয়ার জন্যে, কাউকে দিই না।' নিশানাথবাবু ঐ পাথর কাউকে না দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে দৈত্য তাকে বলে লোভী মানুষের হাতে পরশপাথর দিতে নেই।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...